১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

হেলমেট পরে মাছ ধরতে হয় রাজশাহীর এক পুকুরে

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
  • 130

ছবি : সংগৃহীত

সাধারনত জাল বা বড়শি দিয়েই পুকুরে মাছ ধরা হয়। কিন্তু রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক মৎস্যচাষীর খামারে গেলে এই ধারণা বদলে যাবে। এখানে পুকুরে মাছ ধরতে নামলে পরতে হয় হেলমেট আর লাইফ জ্যাকেট।

প্রায় ৭০০ বিঘা জমির উপর ২৫০টির মতো পুকুর নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ মৎস্যচাষী গোলাম সাকলাইনের। এখান থেকে প্রতিদিন রুই, কাতলা, মৃগেল মাছ নিয়ে ট্রাক ছুটে যায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পথে।

সাকলাইনের খামারের জেলেরা কোমর পানিতে নেমে বিশাল বিশাল মাছ ধরছেন। প্রত্যেকের মাথায় থাকে মোটরসাইকেলের শক্তপোক্ত হেলমেট, আর গায়ে কমলা রঙের সেফটি জ্যাকেট।

আরও পড়ুন : ছাত্রদল নেতার মোবাইল চুরি করে ফেসবুকে চোরের আপত্তিকর পোস্ট

এখানকার পুকুরের একেকটা মাছের ওজন হয় ১২-১৩ কেজি। জালে যখন ধরা পড়ে তখন মাছগুলো লাফঝাঁপ দেয়। মাছের ঝাপটায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। কর্মীদের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত থেকে বাঁচাতেই গোলাম সাকলাইনের এই অভিনব ব্যবস্থা।

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

হেলমেট পরে মাছ ধরতে হয় রাজশাহীর এক পুকুরে

সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

সাধারনত জাল বা বড়শি দিয়েই পুকুরে মাছ ধরা হয়। কিন্তু রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক মৎস্যচাষীর খামারে গেলে এই ধারণা বদলে যাবে। এখানে পুকুরে মাছ ধরতে নামলে পরতে হয় হেলমেট আর লাইফ জ্যাকেট।

প্রায় ৭০০ বিঘা জমির উপর ২৫০টির মতো পুকুর নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ মৎস্যচাষী গোলাম সাকলাইনের। এখান থেকে প্রতিদিন রুই, কাতলা, মৃগেল মাছ নিয়ে ট্রাক ছুটে যায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পথে।

সাকলাইনের খামারের জেলেরা কোমর পানিতে নেমে বিশাল বিশাল মাছ ধরছেন। প্রত্যেকের মাথায় থাকে মোটরসাইকেলের শক্তপোক্ত হেলমেট, আর গায়ে কমলা রঙের সেফটি জ্যাকেট।

আরও পড়ুন : ছাত্রদল নেতার মোবাইল চুরি করে ফেসবুকে চোরের আপত্তিকর পোস্ট

এখানকার পুকুরের একেকটা মাছের ওজন হয় ১২-১৩ কেজি। জালে যখন ধরা পড়ে তখন মাছগুলো লাফঝাঁপ দেয়। মাছের ঝাপটায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। কর্মীদের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত থেকে বাঁচাতেই গোলাম সাকলাইনের এই অভিনব ব্যবস্থা।