০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার কিনবে সরকার

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • 142

টিএসপি সার। ছবি : সংগৃহীত

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রায় ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার ক্রয় এবং ভোলায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের জন্য পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩৩তম সভায় আজ এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক প্রস্তাবের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও তিউনিশিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় তৃতীয় লটের ২৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার তিউনিশিয়ার গ্রুপ চিমিক তিউনিশিয়েন (জিসিটি) থেকে আমদানি করবে।

এতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৬৬ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। যার প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬০২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

এছাড়াও, বিএডিসি মরক্কোর সাথে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় তৃতীয় লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে আমদানি করবে। এতে ব্যয় হবে ৩৮৩ কোটি ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৩২০ টাকা। যার প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৭৮১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন : পাঁচ মাসেই ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের কাজ প্রায় ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৪৩২ টাকায় ঢাকার মেসার্স এমবিএল-আরইএল (জেভি) বাস্তবায়ন করবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের জিটি-২ মেরামত কাজ প্রায় ১১১ কোটি ১৮ লাখ টাকায় চীনের সেপকো ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড থেকে সংগ্রহ করবে।

এছাড়াও, সভায় ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ৯৪টি লটের মোট ৩ কোটি ৬২ লাখ ৯১ হাজার ২০৭টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আরেকটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার কিনবে সরকার

সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে প্রায় ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার ক্রয় এবং ভোলায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের জন্য পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩৩তম সভায় আজ এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক প্রস্তাবের ভিত্তিতে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও তিউনিশিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় তৃতীয় লটের ২৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার তিউনিশিয়ার গ্রুপ চিমিক তিউনিশিয়েন (জিসিটি) থেকে আমদানি করবে।

এতে ব্যয় হবে ১৮৪ কোটি ৬৬ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা। যার প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬০২ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

এছাড়াও, বিএডিসি মরক্কোর সাথে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় তৃতীয় লটের ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস থেকে আমদানি করবে। এতে ব্যয় হবে ৩৮৩ কোটি ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৩২০ টাকা। যার প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৭৮১ দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার।

আরও পড়ুন : পাঁচ মাসেই ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ভোলায় ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের কাজ প্রায় ৪৯ কোটি ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৪৩২ টাকায় ঢাকার মেসার্স এমবিএল-আরইএল (জেভি) বাস্তবায়ন করবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের জিটি-২ মেরামত কাজ প্রায় ১১১ কোটি ১৮ লাখ টাকায় চীনের সেপকো ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড থেকে সংগ্রহ করবে।

এছাড়াও, সভায় ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ৯৪টি লটের মোট ৩ কোটি ৬২ লাখ ৯১ হাজার ২০৭টি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আরেকটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।