১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মরদেহ দাফনের পর জীবিত ফিরে এলো রবিউল! এলাকায় চাঞ্চল্য

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • 106

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় এক অদ্ভুত ঘটনার জন্ম দিয়েছে রবিউল ইসলাম নামের এক কিশোর। যাকে পরিবার মৃত ভেবে দাফন করেছিল, সেই রবিউল ১৫ দিন পর জীবিত অবস্থায় ফিরে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় হাজির হয় রবিউল। অথচ এর আগে তার ‘হত্যা’ দাবি করে পরিবার মামলা করেছিল, এমনকি স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধও করেছিলেন।

রবিউল ইসলাম ওসমানীনগর উপজেলার গদিয়াচর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে। স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করত সে। গত ২৬ জুলাই কর্মস্থল থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় রবিউল।

আরও পড়ুন : মায়ের মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে গিয়ে মারা গেলেন ছেলেও

এরপর ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া রেলস্টেশনের পাশে একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই লাশকে রবিউলের পরিবার সনাক্ত করে দাফন করে। পরিবারের অভিযোগ ছিল—গোয়ালাবাজারের বগুড়া রেস্টুরেন্টের মালিক বুলবুল মিয়া তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছেন।

লাশ দাফনের পর মামলা করতে চাইলে প্রথমে কুলাউড়া ও ওসমানীনগর—দুই থানাই গড়িমসি করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৬ আগস্ট রবিউলের স্বজনরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক জানান, “রবিউল এতদিন আত্মগোপনে ছিল। জীবিত অবস্থায় ফিরে আসার পর তাকে আমরা আটক করেছি এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আগে যে লাশ দাফন করা হয়েছে এবং যেসব মামলা হয়েছে—সেগুলো আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রবিউল ফিরে আসায় পরিবার স্বস্তি পেলেও দাফন করা লাশটি আসলে কার—তা নিয়ে নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মরদেহ দাফনের পর জীবিত ফিরে এলো রবিউল! এলাকায় চাঞ্চল্য

সর্বশেষ আপডেট : ১১:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় এক অদ্ভুত ঘটনার জন্ম দিয়েছে রবিউল ইসলাম নামের এক কিশোর। যাকে পরিবার মৃত ভেবে দাফন করেছিল, সেই রবিউল ১৫ দিন পর জীবিত অবস্থায় ফিরে আসায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় হাজির হয় রবিউল। অথচ এর আগে তার ‘হত্যা’ দাবি করে পরিবার মামলা করেছিল, এমনকি স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধও করেছিলেন।

রবিউল ইসলাম ওসমানীনগর উপজেলার গদিয়াচর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে। স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করত সে। গত ২৬ জুলাই কর্মস্থল থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় রবিউল।

আরও পড়ুন : মায়ের মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে গিয়ে মারা গেলেন ছেলেও

এরপর ৩ আগস্ট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া রেলস্টেশনের পাশে একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই লাশকে রবিউলের পরিবার সনাক্ত করে দাফন করে। পরিবারের অভিযোগ ছিল—গোয়ালাবাজারের বগুড়া রেস্টুরেন্টের মালিক বুলবুল মিয়া তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখেছেন।

লাশ দাফনের পর মামলা করতে চাইলে প্রথমে কুলাউড়া ও ওসমানীনগর—দুই থানাই গড়িমসি করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ৬ আগস্ট রবিউলের স্বজনরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।

কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক জানান, “রবিউল এতদিন আত্মগোপনে ছিল। জীবিত অবস্থায় ফিরে আসার পর তাকে আমরা আটক করেছি এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আগে যে লাশ দাফন করা হয়েছে এবং যেসব মামলা হয়েছে—সেগুলো আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রবিউল ফিরে আসায় পরিবার স্বস্তি পেলেও দাফন করা লাশটি আসলে কার—তা নিয়ে নতুন রহস্য তৈরি হয়েছে।