১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন, একই পরিবারের দগ্ধ ১০

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 115

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। 

শনিবার (২৩ আগস্ট) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাজিল এলাকার একটি টিনসেড বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন তানজিল ইসলাম (৪০), তার স্ত্রী আসমা বেগম (৩৫), তাদের সন্তান তিশা (১৭) ও আরাফাত (১৫), হাসান (৩৫), তার স্ত্রী সালমা বেগম (৩২), তাদের সন্তান মুনতাহা (১১), জান্নাত (৪) ও ইমাম উদ্দিন (১ মাস)। আসমা ও সালমা দুই বোন। তাদের মা তাহেরা খাতুনও (৬০) দগ্ধ হয়েছেন।

দগ্ধ হাসানের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম বলেন, টিনসেড বাড়িতে দুই বোন আসমা ও সালমার পরিবার ভাড়া থাকে। সঙ্গে তাদের মাও থাকেন। বাড়িটির পাশ দিয়ে গ্যাস লাইনের পাইপ গেছে। সেখান থেকে গ্যাস লিক হয়ে বাসায় ছড়িয়ে পড়ে।

রাতে আগুন ধরে গেলে বাসাটি পুড়ে যায় এবং সবাই দগ্ধ হন। খবর পেয়ে তাদের মধ্যে ৯ জনকে ভোরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ও বাকি একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত

এ বিষয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, বার্ন ইনস্টিটিউটে ৯ জন রোগী এসেছেন। তাদের মধ্যে একজন সামান্য আহত। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাকি আট জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের কার কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, তা দেখা হচ্ছে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন, একই পরিবারের দগ্ধ ১০

সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন। 

শনিবার (২৩ আগস্ট) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাজিল এলাকার একটি টিনসেড বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন তানজিল ইসলাম (৪০), তার স্ত্রী আসমা বেগম (৩৫), তাদের সন্তান তিশা (১৭) ও আরাফাত (১৫), হাসান (৩৫), তার স্ত্রী সালমা বেগম (৩২), তাদের সন্তান মুনতাহা (১১), জান্নাত (৪) ও ইমাম উদ্দিন (১ মাস)। আসমা ও সালমা দুই বোন। তাদের মা তাহেরা খাতুনও (৬০) দগ্ধ হয়েছেন।

দগ্ধ হাসানের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম বলেন, টিনসেড বাড়িতে দুই বোন আসমা ও সালমার পরিবার ভাড়া থাকে। সঙ্গে তাদের মাও থাকেন। বাড়িটির পাশ দিয়ে গ্যাস লাইনের পাইপ গেছে। সেখান থেকে গ্যাস লিক হয়ে বাসায় ছড়িয়ে পড়ে।

রাতে আগুন ধরে গেলে বাসাটি পুড়ে যায় এবং সবাই দগ্ধ হন। খবর পেয়ে তাদের মধ্যে ৯ জনকে ভোরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউট ও বাকি একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত

এ বিষয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার গণমাধ্যমকে বলেন, বার্ন ইনস্টিটিউটে ৯ জন রোগী এসেছেন। তাদের মধ্যে একজন সামান্য আহত। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাকি আট জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের কার কত শতাংশ দগ্ধ হয়েছে, তা দেখা হচ্ছে।