ইউক্রেন সংকট সমাধানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আবারও গতি পাচ্ছে। আগামী সোমবার ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (১৬ আগস্ট) জেলেনস্কি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার আলাস্কায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প। এর পরপরই ফোনে দীর্ঘসময় জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেই আলোচনার ধারাবাহিকতায় এবার সামনাসামনি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : আলাস্কায় ট্রাম্পের পাশে পুতিন, মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল বি-২ বোমারু বিমান
জেলেনস্কি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে ইউক্রেন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে রুশ নেতার সঙ্গে তার আলোচনার মূল বিষয়গুলো জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সোমবার ওয়াশিংটনে আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যুদ্ধ থামানো এবং প্রাণহানি বন্ধের পথ নিয়ে আলোচনা করব। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।”
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রস্তাব দেন, চাইলে রুশ ও ইউক্রেনীয় নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনায় তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। এ বিষয়ে জেলেনস্কিও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে বলেছেন, সমস্যা সমাধানে রাশিয়া, ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব পর্যায়ের বৈঠকই হতে পারে কার্যকর পথ।
তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকের সময় কোনো ত্রিপক্ষীয় আলোচনার প্রসঙ্গ ওঠেনি। ফলে এই প্রক্রিয়া কতটা এগোবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, ট্রাম্পের পরপরই পুতিন ও জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক তার নতুন কূটনৈতিক কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আর ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এ আলোচনা কতটা ফলপ্রসূ হয় তার ওপর।
ঢাকা ডেস্ক 









