০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানে ভয়াবহ বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • 101

পাকিস্তানে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২০০ জনে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের, বাজাউর এবং বাটগ্রাম জেলাগুলোতে।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র বুনের জেলায় এখন পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে গাডেজি তহশিলে একাই মারা গেছেন ১২০ জন। চাঘারজাই এলাকায় একটি ভবন ধসে একই পরিবারের ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ এখনো ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এ প্রদেশে ১৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ১৬৩ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী এবং ১২ শিশু। হিগুকান্দ ও পীর বাবা এলাকায় বহু নারী-শিশু আটকা থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : ভারতের স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মোদি

দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজও নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়া একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলটসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ভূমিধসে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নীলম ও ঝিলম উপত্যকায় প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জরুরি ভিত্তিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত খাইবার পাখতুনখোয়াকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’ ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী, জাতীয় ও প্রাদেশিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে নেমেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পাকিস্তানে ভয়াবহ বৃষ্টিতে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল

সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

পাকিস্তানে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২০০ জনে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের, বাজাউর এবং বাটগ্রাম জেলাগুলোতে।

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র বুনের জেলায় এখন পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে গাডেজি তহশিলে একাই মারা গেছেন ১২০ জন। চাঘারজাই এলাকায় একটি ভবন ধসে একই পরিবারের ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বহু মানুষ এখনো ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এ প্রদেশে ১৮৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ১৬৩ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী এবং ১২ শিশু। হিগুকান্দ ও পীর বাবা এলাকায় বহু নারী-শিশু আটকা থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : ভারতের স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মোদি

দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজও নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে। ত্রাণসামগ্রী নিয়ে যাওয়া একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই পাইলটসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ভূমিধসে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নীলম ও ঝিলম উপত্যকায় প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জরুরি ভিত্তিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত খাইবার পাখতুনখোয়াকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’ ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী, জাতীয় ও প্রাদেশিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে নেমেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।