বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক তিন গভর্নর ও চার ডেপুটি গভর্নরের পাশাপাশি তাদের স্ত্রী, সন্তান ও সন্তানের জীবনসঙ্গীদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একইসঙ্গে বিএফআইইউর সাবেক প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান এবং মো. মাসুদ বিশ্বাসের পরিবারের ব্যাংক হিসাবও যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
দুদকের অনুরোধে গত বুধবার দেশের সব ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়েছে বিএফআইইউ। এতে সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন বিবরণ, অ্যাকাউন্ট খোলার তথ্য, এবং কোনো হিসাব বন্ধ থাকলে তার কারণসহ বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : কর্মীদের পোশাক নিয়ে নির্দেশনা প্রত্যাহার করলো বাংলাদেশ ব্যাংক
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে এসব শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ ব্যাংক দখল করে লুটপাটে সহায়তা করেছেন, আবার কেউ অর্থ ছাপিয়ে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে আর্থিক খাত থেকে বিপুল অর্থ লোপাটের সুযোগ তৈরি করেছেন। বিশেষ করে ফজলে কবির ও আব্দুর রউফ তালুকদারের মেয়াদে এসব অনিয়ম ব্যাপক আকার ধারণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ডেপুটি গভর্নরদের মধ্যে এস কে সুর চৌধুরী, এস এম মনিরুজ্জামান, কাজী ছাইদুর রহমান ও আবু ফরাহ মো. নাছেরের নাম এসেছে তদন্ত তালিকায়। এর মধ্যে এস কে সুর চৌধুরী ও মাসুদ বিশ্বাস ইতিমধ্যে দুদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
সরকার পরিবর্তনের এক বছর পর আর্থিক খাতের শীর্ষ পর্যায়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ায় বিষয়টি দেশের ব্যাংকিং অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে বড় ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
ঢাকা ডেস্ক 









