১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
মাইলস্টোন ট্রাজেডি

ডিএনএ টেস্টে শনাক্ত হলো ৫ মরদেহের পরিচয়

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • 70

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া ৫ জনের মরদেহের পরিচয় অবশেষে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে নিহতদের স্বজনদের কাঁটায় কাঁটায় সময় পেরিয়েছে অজানা আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায়। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি এই ৫ মরদেহ শনাক্ত করে তাদের পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করেছে।

শনাক্ত হওয়া ৫ শিক্ষার্থীর নাম:

  • ১. ওকিয়া ফেরদৌস নিধি
  • ২. লামিয়া আক্তার সোনিয়া
  • ৩. আফসানা আক্তার প্রিয়া
  • ৪. রাইসা মনি
  • ৫. মারিয়াম উম্মে আফিয়া

সিআইডির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২২ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) রাখা অশনাক্ত ৫টি মরদেহ ও দেহাংশ থেকে মোট ১১টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই নমুনার সঙ্গে ১১ জন দাবিদারের রক্ত নমুনা মেলানো হয়।

আরও পড়ুন : হতাহতের সংখ্যা গোপন করা অসম্ভব : প্রেস সচিব

বিশ্লেষণে প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে একটি করে পরিবারের ডিএনএ প্রোফাইল মিলে যায়, যার ভিত্তিতে ৫টি মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান নিশ্চিত করেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা পাঁচটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছি। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে বিষয়টি জানিয়ে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’

এর আগে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের আরেক কর্মকর্তা, বিশেষ পুলিশ সুপার শম্পা ইয়াসমিন, জানান, একেকটি মরদেহ থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

২২ জুলাইয়ের দুর্ঘটনার পর মাইলস্টোন স্কুল এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের খোঁজে হাসপাতালে ছুটে গেছেন বারবার। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় মরদেহ গ্রহণ করতে পারেননি তারা।

এখন ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় একদিকে যেমন পরিবারগুলো সন্তান হারানোর চূড়ান্ত সত্যকে মেনে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে দাফন-স্মরণ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে পারবেন সম্মানের সঙ্গে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এখনও ৩ শিক্ষার্থী ও ২ অভিভাবক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মরদেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া চলমান।

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মাইলস্টোন ট্রাজেডি

ডিএনএ টেস্টে শনাক্ত হলো ৫ মরদেহের পরিচয়

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া ৫ জনের মরদেহের পরিচয় অবশেষে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে নিহতদের স্বজনদের কাঁটায় কাঁটায় সময় পেরিয়েছে অজানা আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায়। সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি এই ৫ মরদেহ শনাক্ত করে তাদের পরিবারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার পথ তৈরি করেছে।

শনাক্ত হওয়া ৫ শিক্ষার্থীর নাম:

  • ১. ওকিয়া ফেরদৌস নিধি
  • ২. লামিয়া আক্তার সোনিয়া
  • ৩. আফসানা আক্তার প্রিয়া
  • ৪. রাইসা মনি
  • ৫. মারিয়াম উম্মে আফিয়া

সিআইডির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২২ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) রাখা অশনাক্ত ৫টি মরদেহ ও দেহাংশ থেকে মোট ১১টি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই নমুনার সঙ্গে ১১ জন দাবিদারের রক্ত নমুনা মেলানো হয়।

আরও পড়ুন : হতাহতের সংখ্যা গোপন করা অসম্ভব : প্রেস সচিব

বিশ্লেষণে প্রতিটি মরদেহের সঙ্গে একটি করে পরিবারের ডিএনএ প্রোফাইল মিলে যায়, যার ভিত্তিতে ৫টি মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান নিশ্চিত করেন, ‘ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা পাঁচটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছি। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে বিষয়টি জানিয়ে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’

এর আগে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের আরেক কর্মকর্তা, বিশেষ পুলিশ সুপার শম্পা ইয়াসমিন, জানান, একেকটি মরদেহ থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

২২ জুলাইয়ের দুর্ঘটনার পর মাইলস্টোন স্কুল এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের খোঁজে হাসপাতালে ছুটে গেছেন বারবার। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় মরদেহ গ্রহণ করতে পারেননি তারা।

এখন ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ায় একদিকে যেমন পরিবারগুলো সন্তান হারানোর চূড়ান্ত সত্যকে মেনে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, অন্যদিকে দাফন-স্মরণ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে পারবেন সম্মানের সঙ্গে।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, এখনও ৩ শিক্ষার্থী ও ২ অভিভাবক নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মরদেহ শনাক্তের জন্য ডিএনএ বিশ্লেষণের প্রক্রিয়া চলমান।