ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাবরা গ্রামে ঘটেছে রীতিমতো চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা। ৪০ বছর বয়সী এক গৃহবধূ দুই সন্তানের জননী হয়েও পালিয়ে গেছেন ১৭ বছরের এক কিশোরের সঙ্গে! এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা, সমালোচনা আর ক্ষোভ।
পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূর নাম তাসলিমা খাতুন। তিনি স্থানীয় মান্নান মিস্ত্রীর স্ত্রী এবং দুই সন্তানের মা। বড় মেয়ে বিবাহিত, আর ছোট ছেলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। দীর্ঘ ২২ বছরের দাম্পত্য জীবনের এক পর্যায়ে তাসলিমা সম্পর্কে প্রতিবেশী কিশোর মেহেদী হাসানের প্রেমে পড়েন।
আরও পড়ুন : ফেসবুকে স্কুলছাত্রীদের কুপ্রস্তাব দেন শিক্ষা কর্মকর্তা, অতঃপর…
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মেহেদী তার নানাবাড়িতে বেড়ে উঠলেও বর্তমানে স্থায়ীভাবে বাবরা গ্রামেই বসবাস করে। একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাসলিমা ও মেহেদীর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে পরকীয়ায় রূপ নেয়।
তাসলিমার স্বামী মান্নান মিস্ত্রী বলেন, ‘১১ তারিখ রাতে আমি পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে তাদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধরে ফেলি। তখন কিছু বলিনি, ভাবলাম সংসার যেন না ভাঙে। কিন্তু সকালে দেখি—আমার স্ত্রী ছেলে মেহেদীকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমার ছোট ছেলেটা এখন না খেয়ে আছে, কান্না করছে। আমি চাই প্রশাসন এই ঘটনার সঠিক বিচার করুক।’
পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই মেহেদী হাসানের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার বাবা টোটন মণ্ডলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলে তিনি ছেলের অবস্থান জানাতে পারেননি।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ‘এটা শুধু একটা পরিবার নয়, পুরো সমাজের জন্য লজ্জাজনক। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী কিভাবে একজন নাবালকের সঙ্গে এমন সম্পর্কে জড়াতে পারেন? এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
ঢাকা ডেস্ক 









