১১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মিরপুরে অগ্নিকাণ্ড : ৭ জনের লাশ শনাক্তের দাবি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • 100

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর শিয়ালবাড়ি এলাকায় কেমিক্যাল গুদাম ও পোশাক কারখানায় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে ৭ জনের মরদেহ শনাক্তের দাবি করেছেন স্বজনরা।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রূপনগর থানার ওসি (তদন্ত) মোখলেছুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত সাতটি লাশের দাবিদার পাওয়া গেছে এবং আরও স্বজন লাশ শনাক্তের জন্য আসছেন। ময়নাতদন্তের সময় লাশের পাশাপাশি স্বজনদের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হবে। এরপর যেগুলো নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হবে, সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ওসি আরও জানান, মঙ্গলবার রাতেই সব লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ সংগ্রহের পর হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এদিকে বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মিরপুরে রাসায়নিক কারখানা এবং পোশাক কারখানায় আগুনের ১৬ জনের মৃতদেহ আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পেয়েছি। তাদের মধ্যে নয়জন পুরুষ এবং ৭ জন নারী। লাশগুলো আগুনে পুড়ে এমন অবস্থা হয়েছে যে শনাক্ত করাটা খুব কঠিন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১০ জন দাবি করেছেন, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনকে শনাক্ত করতে পেরেছে। এ কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যারা লাশের দাবিদার হয়েছেন তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য সবার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। যেসব লাশের দাবি কেউ করবে না, সেগুলো কয়েকদিন রাখা হবে। এরপর সেগুলো হয়ত আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মিরপুরে অগ্নিকাণ্ড : ৭ জনের লাশ শনাক্তের দাবি

সর্বশেষ আপডেট : ০২:২৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর মিরপুর শিয়ালবাড়ি এলাকায় কেমিক্যাল গুদাম ও পোশাক কারখানায় মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে ৭ জনের মরদেহ শনাক্তের দাবি করেছেন স্বজনরা।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রূপনগর থানার ওসি (তদন্ত) মোখলেছুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত সাতটি লাশের দাবিদার পাওয়া গেছে এবং আরও স্বজন লাশ শনাক্তের জন্য আসছেন। ময়নাতদন্তের সময় লাশের পাশাপাশি স্বজনদের ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হবে। এরপর যেগুলো নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হবে, সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ওসি আরও জানান, মঙ্গলবার রাতেই সব লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ সংগ্রহের পর হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এদিকে বুধবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মিরপুরে রাসায়নিক কারখানা এবং পোশাক কারখানায় আগুনের ১৬ জনের মৃতদেহ আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পেয়েছি। তাদের মধ্যে নয়জন পুরুষ এবং ৭ জন নারী। লাশগুলো আগুনে পুড়ে এমন অবস্থা হয়েছে যে শনাক্ত করাটা খুব কঠিন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১০ জন দাবি করেছেন, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজনকে শনাক্ত করতে পেরেছে। এ কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যারা লাশের দাবিদার হয়েছেন তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য সবার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। যেসব লাশের দাবি কেউ করবে না, সেগুলো কয়েকদিন রাখা হবে। এরপর সেগুলো হয়ত আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে।