পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই সীমান্তবর্তী এলাকায় ট্যাঙ্ক ও ভারী অস্ত্র মোতায়েন শুরু করেছে আফগানিস্তান। আল জাজিরা জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগান সেনারা ইতোমধ্যে কুনার প্রদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারী যুদ্ধাস্ত্র এবং ট্যাঙ্ক স্থাপন করেছে। এ পদক্ষেপকে সাম্প্রতিক সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যদিও দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির তীব্রতা কিছুটা কমেছে বলে জানা গেছে, তবু পাকিস্তানের কুররাম জেলার স্থানীয়রা এখনও মাঝে মাঝে গুলিবিনিময়ের শব্দ শুনছেন বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন : শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশের জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ
এদিকে, পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার বিষয়ে স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করেছে।”
তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লেখেন, “আফগানিস্তান এমন সময়ে পাকিস্তানে হামলা চালিয়েছে, যখন তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফরে রয়েছেন এবং সেখানে পাকিস্তানবিরোধী অবস্থান প্রকাশ পাচ্ছে যৌথ বিবৃতিতে। এই ঘটনা দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।”
এর আগে, তালেবান সরকার দাবি করেছে— পাকিস্তানের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পাল্টা জবাবে তারা অভিযান চালিয়েছে, যেখানে অন্তত ৫৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন।
আফগান সরকারের মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক পোস্টে জানান, অভিযানে আফগান বাহিনী পাকিস্তানের বিপুল পরিমাণ অস্ত্রও দখল করেছে। তবে এ সংঘাতে আফগান তালেবান বাহিনীরও প্রায় ২০ জন সদস্য হতাহত হয়েছেন।
পাকিস্তান এখনো আফগান সরকারের এই দাবি সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
সূত্র: আল জাজিরা, টোলো নিউজ
ঢাকা ডেস্ক 









