০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিজ্ঞানী

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 92

চলতি বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী—জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এই ঘোষণা দেয়।

বিজ্ঞানীদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বর্তনীতে স্থূল কোয়ান্টাম টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন—এই গুরুত্বপূর্ণ ধারণা আবিষ্কারের জন্য।

রয়্যাল একাডেমির ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের গবেষণা কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এমন এক বাস্তব প্রয়োগের দ্বার খুলে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও উন্নত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত তৈরি করবে।

আরও পড়ুন : আবারও কমলো এলপি গ্যাসের দাম

এই তিন গবেষক তাদের পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, কীভাবে অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় সরাসরি ‘টানেল’ করতে পারে—যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত কিন্তু প্রমাণযোগ্য এক বৈশিষ্ট্য। তারা আরও দেখান, এই সিস্টেম নির্দিষ্ট মাত্রায় শক্তি শোষণ ও বিকিরণ করতে পারে—যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গেই পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন, কোয়ান্টাম স্তরের আচরণ কেবল ক্ষুদ্র কণায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবসৃষ্ট বড় মাপের যন্ত্রেও এর ব্যবহার সম্ভব।

গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন জে. হোপফিল্ড ও জিওফ্রি ই. হিন্টন, কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক ও মেশিন লার্নিংয়ে তাদের যুগান্তকারী অবদানের জন্য।

অন্যদিকে ২০২৩ সালে পদার্থে যৌথভাবে নোবেল পান পিয়ের অগস্টিনি, ফেরেঙ্ক ক্রাউৎজ ও অ্যানে এলহুইলার—যাদের গবেষণার মূল বিষয় ছিল ইলেকট্রনের গতিবিদ্যা।

পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়সী নোবেলজয়ী হলেন আর্থার আসকিন, যিনি ২০১৮ সালে ৯৬ বছর বয়সে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। আর সবচেয়ে কম বয়সে (২৫ বছর) পুরস্কারজয়ী ছিলেন লরেন্স ব্রেগ। এ ছাড়া জন বার্ডিন একমাত্র বিজ্ঞানী, যিনি দুইবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিজ্ঞানী

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

চলতি বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের তিন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী—জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ. ডেভোরেট এবং জন এম. মার্টিনিস। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এই ঘোষণা দেয়।

বিজ্ঞানীদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বর্তনীতে স্থূল কোয়ান্টাম টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন—এই গুরুত্বপূর্ণ ধারণা আবিষ্কারের জন্য।

রয়্যাল একাডেমির ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের গবেষণা কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এমন এক বাস্তব প্রয়োগের দ্বার খুলে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও উন্নত ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত তৈরি করবে।

আরও পড়ুন : আবারও কমলো এলপি গ্যাসের দাম

এই তিন গবেষক তাদের পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়েছেন, কীভাবে অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় সরাসরি ‘টানেল’ করতে পারে—যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অদ্ভুত কিন্তু প্রমাণযোগ্য এক বৈশিষ্ট্য। তারা আরও দেখান, এই সিস্টেম নির্দিষ্ট মাত্রায় শক্তি শোষণ ও বিকিরণ করতে পারে—যা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গেই পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন, কোয়ান্টাম স্তরের আচরণ কেবল ক্ষুদ্র কণায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবসৃষ্ট বড় মাপের যন্ত্রেও এর ব্যবহার সম্ভব।

গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন জে. হোপফিল্ড ও জিওফ্রি ই. হিন্টন, কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্ক ও মেশিন লার্নিংয়ে তাদের যুগান্তকারী অবদানের জন্য।

অন্যদিকে ২০২৩ সালে পদার্থে যৌথভাবে নোবেল পান পিয়ের অগস্টিনি, ফেরেঙ্ক ক্রাউৎজ ও অ্যানে এলহুইলার—যাদের গবেষণার মূল বিষয় ছিল ইলেকট্রনের গতিবিদ্যা।

পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়সী নোবেলজয়ী হলেন আর্থার আসকিন, যিনি ২০১৮ সালে ৯৬ বছর বয়সে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। আর সবচেয়ে কম বয়সে (২৫ বছর) পুরস্কারজয়ী ছিলেন লরেন্স ব্রেগ। এ ছাড়া জন বার্ডিন একমাত্র বিজ্ঞানী, যিনি দুইবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জন করেছেন।