ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না এলেও ছাত্রদল প্রার্থীদের প্রতি শিক্ষার্থীদের ভরসা ও আস্থা দলটির ভেতর নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। ভোটের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আলম লিখেছেন—একজন ভোটারও যদি কোনো প্রার্থীকে বিশ্বাস করে, সেটাই তার মর্যাদার প্রতিফলন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রদলের একজন প্রার্থীও ইনডিসেন্ট সংখ্যক ভোট পাননি। হাজারো মানুষ আমাদের ওপর ভরসা করেছে। তারা কোনো নির্দিষ্ট কমিউনিটির নয়, বিভিন্ন অংশের শিক্ষার্থী।’
মানসুরা আলমের ভাষ্যে, এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা প্রার্থীরা আসলে হেরে যাননি। বরং শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন। মেয়েদের হলগুলোতে হেরে যাওয়া প্রার্থীরাও প্রত্যাশার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছেন, যা ছাত্রদলের জন্য গর্বের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন : ডাকসুতে শিবিরের জয় দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফসল : গোলাম মাওলা রনি
তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে বিশাল প্রজেক্ট নিয়ে একদল এগিয়েছে। ৫৫ বছর পিছিয়ে থাকা রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে এই গেইম প্ল্যান দরকার ছিলো। আবিদ যে পাঁচ হাজার ভোট পেয়েছে, সেটা রাজনৈতিক আবিদকেই দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তার জন্য তাকে খোলস পাল্টাতে হয়নি।’
ভবিষ্যতের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি আশা প্রকাশ করে লিখেছেন, আগামী বছরই ছাত্রদলের বছর হবে। তখন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বাইরের সমালোচনার জবাবে তিনি যোগ করেন, ‘ছাত্রদলের সবচেয়ে গ্রুপবাজ কর্মীটিও এই নির্বাচনে সমস্ত ইগো সরিয়ে কাজ করেছে। বাইরে থেকে দায়বদ্ধতা বোঝা যাবে না। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নয়, পরিবর্তনের মাধ্যমেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
ঢাকা ডেস্ক 














