০২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

‘লোকসানে থাকা ব্যাংকের কর্মকর্তারা বোনাস পাবে না’

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 168

ব্যাংক লোকসানে থাকলে কর্মকর্তারা কোনো ধরনের বোনাস পাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, “কোনো ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে এবং প্রভিশন লস হলে সেই ব্যাংক ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবে না।”

গভর্নর জানান, তিন মাসের ঋণ অনাদায়ী থাকলেই সেটিকে নন-পারফর্মিং লোন ধরা হবে। জুনের খেলাপি ঋণ রিপোর্টে প্রায় ৩০ শতাংশ খেলাপির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করছে। আগামী রবিবার থেকে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

আরও পড়ুন : নেপালের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে থামল বাংলাদেশ

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এসব ব্যাংক ভালো করবে। এতে কর্মকর্তা, আমানতকারী ও সামগ্রিক ব্যাংকিং খাত উপকৃত হবে।”

অর্থ পাচার ও হুন্ডি রোধে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক ফল এসেছে বলে জানান গভর্নর। আগে যেখানে হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ লিকেজ হতো, বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। ফলে রিজার্ভও বেড়েছে।

গত এক মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজার থেকে কিনলেও দাম বাড়েনি বলে উল্লেখ করেন আহসান এইচ মনসুর। তার মতে, ডলার সংকট না থাকলেও দেশে টাকার সংকট রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “চালের দাম কিছুটা বাড়ায় আগস্টে সাময়িকভাবে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। এটা রাতারাতি সম্ভব নয়, সময় লাগবে।”

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

‘লোকসানে থাকা ব্যাংকের কর্মকর্তারা বোনাস পাবে না’

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ব্যাংক লোকসানে থাকলে কর্মকর্তারা কোনো ধরনের বোনাস পাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, “কোনো ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে এবং প্রভিশন লস হলে সেই ব্যাংক ডিভিডেন্ড ও বোনাস দিতে পারবে না।”

গভর্নর জানান, তিন মাসের ঋণ অনাদায়ী থাকলেই সেটিকে নন-পারফর্মিং লোন ধরা হবে। জুনের খেলাপি ঋণ রিপোর্টে প্রায় ৩০ শতাংশ খেলাপির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক একসঙ্গে কাজ করছে। আগামী রবিবার থেকে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

আরও পড়ুন : নেপালের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে থামল বাংলাদেশ

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এসব ব্যাংক ভালো করবে। এতে কর্মকর্তা, আমানতকারী ও সামগ্রিক ব্যাংকিং খাত উপকৃত হবে।”

অর্থ পাচার ও হুন্ডি রোধে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক ফল এসেছে বলে জানান গভর্নর। আগে যেখানে হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ লিকেজ হতো, বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। ফলে রিজার্ভও বেড়েছে।

গত এক মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজার থেকে কিনলেও দাম বাড়েনি বলে উল্লেখ করেন আহসান এইচ মনসুর। তার মতে, ডলার সংকট না থাকলেও দেশে টাকার সংকট রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “চালের দাম কিছুটা বাড়ায় আগস্টে সাময়িকভাবে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা। এটা রাতারাতি সম্ভব নয়, সময় লাগবে।”