০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে চট্টগ্রামে ৫৪তম জশনে জুলুস উদযাপন

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 98

ছবি : সংগৃহীত

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ৫৪তম জশনে জুলুস। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে খানকাহ শরিফ থেকে জুলুসের বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখ লাখ মুসল্লি জুলুসে অংশগ্রহণ করেন। জশনে জুলুসের নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাদজাল্লাহু আলি), আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান।

এছাড়া জুলুসে অংশ নেন ট্রাস্টের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও আলেম-ওলামারা।

পথে পথে দেখা যায় এক অনন্য দৃশ্য। প্রতিটি মোড়ে শরবত, পানি ও তাবাররুকের ব্যবস্থা রেখেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। ছোট্ট শিশুরাও হাতে শরবতের গ্লাস নিয়ে ভক্তদের আপ্যায়ন করছে। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এ সেবায় অংশ নিয়েছে। ফলে পুরো জুলুস রূপ নিয়েছে অতিথি আপ্যায়ন আর ভ্রাতৃত্বের মহা উৎসবে।

জুলুসকে ঘিরে আগে থেকেই নগরীতে চলে আলোকসজ্জা। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন হয়। পুরো চট্টগ্রাম শহর যেন সাজে নবীপ্রেমের রঙে, আলোকিত হয়ে ওঠে প্রতিটি সড়ক, প্রতিটি গলি।

আরও পড়ুন : বিএনপির অনুষ্ঠানে অপু বিশ্বাস,  ‘দিদি পল্টিবাজ, সুবিধাবাদী’ বললেন পরীমণি!

এদিকে, জুলুছ উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। নগর ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনাও।

আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ বলেন, জশনে জুলুস হচ্ছে নবীপ্রেমের সোনালী প্রদীপ। লাখো মানুষের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, মুসলমানরা নবীজির (সা.) ভালোবাসায় সর্বদা ঐক্যবদ্ধ। ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই জুলুস এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম আজ ঈমান, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার মহোৎসবে রূপ নিয়েছে।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শুরু হয় ১৯৮০ সালে। টানা ৫৪ বছর ধরে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এই আয়োজন করে আসছে। প্রতিবছর লাখো ভক্ত-অনুরাগীর সমাগমে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় রূপ নিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে চট্টগ্রামে ৫৪তম জশনে জুলুস উদযাপন

সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে ৫৪তম জশনে জুলুস। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে খানকাহ শরিফ থেকে জুলুসের বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলা-উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখ লাখ মুসল্লি জুলুসে অংশগ্রহণ করেন। জশনে জুলুসের নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাদজাল্লাহু আলি), আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের চেয়ারম্যান।

এছাড়া জুলুসে অংশ নেন ট্রাস্টের বিভিন্ন দায়িত্বশীল ও আলেম-ওলামারা।

পথে পথে দেখা যায় এক অনন্য দৃশ্য। প্রতিটি মোড়ে শরবত, পানি ও তাবাররুকের ব্যবস্থা রেখেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। ছোট্ট শিশুরাও হাতে শরবতের গ্লাস নিয়ে ভক্তদের আপ্যায়ন করছে। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও এ সেবায় অংশ নিয়েছে। ফলে পুরো জুলুস রূপ নিয়েছে অতিথি আপ্যায়ন আর ভ্রাতৃত্বের মহা উৎসবে।

জুলুসকে ঘিরে আগে থেকেই নগরীতে চলে আলোকসজ্জা। মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন হয়। পুরো চট্টগ্রাম শহর যেন সাজে নবীপ্রেমের রঙে, আলোকিত হয়ে ওঠে প্রতিটি সড়ক, প্রতিটি গলি।

আরও পড়ুন : বিএনপির অনুষ্ঠানে অপু বিশ্বাস,  ‘দিদি পল্টিবাজ, সুবিধাবাদী’ বললেন পরীমণি!

এদিকে, জুলুছ উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। নগর ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনাও।

আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ বলেন, জশনে জুলুস হচ্ছে নবীপ্রেমের সোনালী প্রদীপ। লাখো মানুষের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, মুসলমানরা নবীজির (সা.) ভালোবাসায় সর্বদা ঐক্যবদ্ধ। ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই জুলুস এখন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সমাবেশে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম আজ ঈমান, ভ্রাতৃত্ব ও মানবতার মহোৎসবে রূপ নিয়েছে।

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শুরু হয় ১৯৮০ সালে। টানা ৫৪ বছর ধরে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট এই আয়োজন করে আসছে। প্রতিবছর লাখো ভক্ত-অনুরাগীর সমাগমে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রায় রূপ নিয়েছে।