০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আজহারির স্ট্যাটাস

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 77

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নিয়োগের নতুন ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারি। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবি উপেক্ষা করে সরকার ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে সংগীতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আজহারি লেখেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি— সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগে এদেশের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবিকে উপেক্ষা করে, অযাচিতভাবে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আমরা এই অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

তিনি আরও লেখেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে প্রাথমিক স্তরে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নেই— এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ সংগীতের মতো বিষয়ে ডেডিকেটেড শিক্ষক নিয়োগ স্পষ্টতই জন আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের নিরাপত্তা চাই।”

আরও পড়ুন : হাসপাতালে অষ্টম পাস ভুয়া চিকিৎসক করাচ্ছেন সিজার অপারেশন, হাতেনাতে ধরা

আজহারির পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেক অনুরাগী তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, “ধর্মীয় শিক্ষাকে উপেক্ষা করে সংগীতকে প্রাধান্য দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।” কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, “এটি শুধু একটি সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘদিনের অবহেলার বহিঃপ্রকাশ।”

অন্যদিকে কয়েকজন লিখেছেন, “প্রাথমিক স্তরে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার জন্যও আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করা উচিত। এটি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করবে।”

সম্প্রতি সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা জারি করেছে। এতে দুটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে— সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা। এখন থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই দুই বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক থাকবেন। এতদিন এই কাজটি অন্যান্য শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দেওয়া হতো।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

স্কুলে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আজহারির স্ট্যাটাস

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নিয়োগের নতুন ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারি। তিনি অভিযোগ করেছেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবি উপেক্ষা করে সরকার ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে সংগীতকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আজহারি লেখেন, “আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি— সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষক নিয়োগে এদেশের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবিকে উপেক্ষা করে, অযাচিতভাবে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আমরা এই অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

তিনি আরও লেখেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে প্রাথমিক স্তরে ইসলাম শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত ধর্মীয় শিক্ষক নেই— এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ সংগীতের মতো বিষয়ে ডেডিকেটেড শিক্ষক নিয়োগ স্পষ্টতই জন আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি। আমরা আমাদের সন্তানদের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের নিরাপত্তা চাই।”

আরও পড়ুন : হাসপাতালে অষ্টম পাস ভুয়া চিকিৎসক করাচ্ছেন সিজার অপারেশন, হাতেনাতে ধরা

আজহারির পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। অনেক অনুরাগী তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, “ধর্মীয় শিক্ষাকে উপেক্ষা করে সংগীতকে প্রাধান্য দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।” কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, “এটি শুধু একটি সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘদিনের অবহেলার বহিঃপ্রকাশ।”

অন্যদিকে কয়েকজন লিখেছেন, “প্রাথমিক স্তরে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষার জন্যও আলাদা শিক্ষক নিয়োগ করা উচিত। এটি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করবে।”

সম্প্রতি সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা জারি করেছে। এতে দুটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়েছে— সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা। এখন থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই দুই বিষয়ের জন্য আলাদা শিক্ষক থাকবেন। এতদিন এই কাজটি অন্যান্য শিক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দেওয়া হতো।