০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

হাঁস মারা যাওয়া নিয়ে ৩ ভাইকে কুপিয়ে জখম, একজনের মৃত্যু

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • 61

হাঁস। প্রতীকী ছবি

সিলেটের কানাইঘাটে হাঁস মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় আহত হয়ে সাইদুর রহমান (৩৫) নামে এক যুবক মারা গেছেন। শনিবার(৩০ আগস্ট) সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ভাই ফরিদ আহমদ (২৫) ও আব্দুর রহমান (২৯)। তারা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হামলার ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বাদ জুম’আ কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপার পূর্ব ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদ আহমেদের ১০টি হাঁস তার চাচাতো ভাই ইমরান আহমেদের জমিতে নামে গত মঙ্গলবার। খেতের জমিতে কীটনাশক ছিটানো থাকার কারণে ৭টি হাঁস মারা যায়। এবিষয়ে ফরিদ আহমদ এলাকায় বিচারপ্রার্থী হন।

 

আরও পড়ুন : পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবারও চমক, মিলল ৩২ বস্তা টাকা

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চাচাতো ভাই ইমরান আহমদ, তার মা লেছু বেগম ও বাবা রকিব আলী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বাড়ি ফেরার পথে সাইদুর রহমান, ফরিদ আহমদ ও আব্দুর রহমানকে ছুরি দা লাঠিসোটা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালান।

তাদের হামলায় গুরুতর আহত হন তিন ভাই। পরে স্থানীয়রা ৩ ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর আহত সাইদুর রহমান শনিবার ভোর ৫টার দিকে মারা যান। অপর ভাই ফরিদ আহমদ (২৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন এবং আব্দুর রাহমান (২৯) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন : জুস পান করে নিজেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য

ঘটনার সঙ্গে জড়িত রকিব আলী (৬৫) সড়কের বাজার এলাকা থেকে ও তার ছেলে ঘটনার মূল হোতা ইমরান আহমদকে (৩০) সিলেট শহর থেকে আটক করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

হাঁস মারা যাওয়া নিয়ে ৩ ভাইকে কুপিয়ে জখম, একজনের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৯:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের কানাইঘাটে হাঁস মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের হামলায় আহত হয়ে সাইদুর রহমান (৩৫) নামে এক যুবক মারা গেছেন। শনিবার(৩০ আগস্ট) সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ভাই ফরিদ আহমদ (২৫) ও আব্দুর রহমান (২৯)। তারা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হামলার ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বাদ জুম’আ কানাইঘাট উপজেলার দিঘীরপার পূর্ব ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদ আহমেদের ১০টি হাঁস তার চাচাতো ভাই ইমরান আহমেদের জমিতে নামে গত মঙ্গলবার। খেতের জমিতে কীটনাশক ছিটানো থাকার কারণে ৭টি হাঁস মারা যায়। এবিষয়ে ফরিদ আহমদ এলাকায় বিচারপ্রার্থী হন।

 

আরও পড়ুন : পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবারও চমক, মিলল ৩২ বস্তা টাকা

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চাচাতো ভাই ইমরান আহমদ, তার মা লেছু বেগম ও বাবা রকিব আলী শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বাড়ি ফেরার পথে সাইদুর রহমান, ফরিদ আহমদ ও আব্দুর রহমানকে ছুরি দা লাঠিসোটা দিয়ে অতর্কিত হামলা চালান।

তাদের হামলায় গুরুতর আহত হন তিন ভাই। পরে স্থানীয়রা ৩ ভাইকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুরুতর আহত সাইদুর রহমান শনিবার ভোর ৫টার দিকে মারা যান। অপর ভাই ফরিদ আহমদ (২৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন এবং আব্দুর রাহমান (২৯) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন : জুস পান করে নিজেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য

ঘটনার সঙ্গে জড়িত রকিব আলী (৬৫) সড়কের বাজার এলাকা থেকে ও তার ছেলে ঘটনার মূল হোতা ইমরান আহমদকে (৩০) সিলেট শহর থেকে আটক করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।