০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ডাকসু নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • 190

আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটের দিন ক্যাম্পাস সিলগালা থাকবে এবং বহিরাগতদের প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রার্থীদের সঙ্গে এক সভায় প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এ ঘোষণা দেন। এ সময় অন্যান্য রিটার্নিং কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা থাকবে। প্রথম স্তরে দায়িত্ব পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও বিএনসিসি সদস্যরা। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর তৃতীয় স্তরে সেনাবাহিনী থাকবে নির্দিষ্ট প্রবেশপথে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। তারা শুধু ভোট গ্রহণকালীন নিরাপত্তাই নয়, ব্যালট বাক্স সুরক্ষার দায়িত্বও পালন করবে।

আরও পড়ুন : আজ থেকে ডাকসু নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু

তিনি আরও জানান, ভোটের অন্তত সাত দিন আগে থেকে কোনো বহিরাগত হলে অবস্থান করতে পারবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করতে হাউস টিউটর ও প্রভোস্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আকস্মিক তল্লাশিও চালানো হবে।

ভোটের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় তাদের পরিবহন সুবিধার জন্য বাসের ট্রিপ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ঢাবি শিক্ষার্থীবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ডিএমপি বিশেষ ব্যবস্থা নেবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. কাজী মারুফুল ইসলাম সতর্ক করে বলেন, ‘প্রার্থীরা কোনোভাবেই মুক্তিযুদ্ধ বা শহীদদের অবমাননা করে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে এবং ভোটের দিন ৯ সেপ্টেম্বর সারাদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন কেবল বৈধ ভোটাররা। নির্বাচনের দিন সাতটি প্রবেশপথেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ডাকসু নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটের দিন ক্যাম্পাস সিলগালা থাকবে এবং বহিরাগতদের প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রার্থীদের সঙ্গে এক সভায় প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এ ঘোষণা দেন। এ সময় অন্যান্য রিটার্নিং কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ভোটের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা থাকবে। প্রথম স্তরে দায়িত্ব পালন করবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও বিএনসিসি সদস্যরা। দ্বিতীয় স্তরে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। আর তৃতীয় স্তরে সেনাবাহিনী থাকবে নির্দিষ্ট প্রবেশপথে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। তারা শুধু ভোট গ্রহণকালীন নিরাপত্তাই নয়, ব্যালট বাক্স সুরক্ষার দায়িত্বও পালন করবে।

আরও পড়ুন : আজ থেকে ডাকসু নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারনা শুরু

তিনি আরও জানান, ভোটের অন্তত সাত দিন আগে থেকে কোনো বহিরাগত হলে অবস্থান করতে পারবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করতে হাউস টিউটর ও প্রভোস্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আকস্মিক তল্লাশিও চালানো হবে।

ভোটের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় তাদের পরিবহন সুবিধার জন্য বাসের ট্রিপ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ঢাবি শিক্ষার্থীবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ডিএমপি বিশেষ ব্যবস্থা নেবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রফেসর ড. কাজী মারুফুল ইসলাম সতর্ক করে বলেন, ‘প্রার্থীরা কোনোভাবেই মুক্তিযুদ্ধ বা শহীদদের অবমাননা করে প্রচারণা চালাতে পারবেন না। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে এবং ভোটের দিন ৯ সেপ্টেম্বর সারাদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ থাকবে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন কেবল বৈধ ভোটাররা। নির্বাচনের দিন সাতটি প্রবেশপথেই সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।