কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক ছাত্রীকে চলন্ত বাসে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আটক দুজনকে পুলিশের সামনে জুতাপেটা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের গাড়িতে আটক আসামিদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একের পর এক জুতা দিয়ে মারছেন। এ সময় তারা চিৎকার করে বলেন, ‘তোদের ঘরে মা–বোন নাই?’
এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন— মো. হোসেন আলী (২৫), মো. আলী হোসেন (২৩), এ ঘটনায় আরও তিনজন পলাতক রয়েছে। তারা হলেন—পিচ্চি রাসেল, নূর আলম ও সৌরভ।
আরও পড়ুন : যৌন কেলেঙ্কারিতে চাকুরিচ্যুত জাবির সেই শিক্ষক গ্রেপ্তার
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ছাত্রীটি ঢাকায় যাওয়ার জন্য কোটবাড়ি বিশ্বরোড থেকে স্বাধীন সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি নির্ধারিত রুটে না গিয়ে চৌদ্দগ্রামের দিকে ঘুরে যায় এবং পরে পদুয়ার বাজারে ফিরে আসে।
তখন বাসে চালক ও হেলপারসহ পাঁচজন ছিল। তারা ওই ছাত্রীকে একা পেয়ে গলায় ছুরি ধরে স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয় এবং মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়।
কুবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. হায়দার আলী বলেন, “এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অপরাধীরা ইতোমধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির হয়েছে এবং দুই বছরের অজামিনযোগ্য জেল পেয়েছে।”
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, “পলাতক তিনজনকে ধরতে অভিযান চলছে। এক মাসের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হবে।”
ঢাকা ডেস্ক 









