০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 121

মানবাধিকার বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত হয় এই রিপোর্ট। এতে উল্লেখ করা হয় জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ। এরই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার পলায়ন এবং ড. মুহম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সেইসঙ্গে, বিগত সরকারের আমলে হওয়া বিভিন্ন অপরাধের কথা তুলে ধরা হয় রিপোর্টে।

উল্লেখ করা হয় হত্যা, গুম, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত আটক, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ি, সেন্সরশিপ, সাংবাদিক আটক, শ্রম আইন লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন ইস্যু।

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে বলা হয়, পূর্ববর্তী সরকার বা তার এজেন্টরা নির্বিচারে বা বেআইনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী সরকার নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা মোট হত্যাকাণ্ডের সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি বা মামলার তদন্তের জন্য স্বচ্ছ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন : ইসরাইলি হামলায় আরও ৭৩ ফিলিস্তিনি নিহত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এটি শুরু করে। পূর্ববর্তী সরকার যেসব জ্ঞাত ঘটনায় অভিযোগ এনেছিল, সেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা সাধারণত প্রশাসনিক শাস্তি পেতেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের বিচার চলছে বলেও প্রতিবেদনে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়।

মার্কিন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক উদাহরণ থাকলেও জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করেনি বিগত হাসিনা প্রশাসন। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্বর্তী সরকার আটক করেছে বলে উল্লেখ করা হয় এতে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ

সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

মানবাধিকার বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত হয় এই রিপোর্ট। এতে উল্লেখ করা হয় জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ। এরই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার পলায়ন এবং ড. মুহম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সেইসঙ্গে, বিগত সরকারের আমলে হওয়া বিভিন্ন অপরাধের কথা তুলে ধরা হয় রিপোর্টে।

উল্লেখ করা হয় হত্যা, গুম, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত আটক, বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ি, সেন্সরশিপ, সাংবাদিক আটক, শ্রম আইন লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন ইস্যু।

বিচারবহির্ভূত হত্যা নিয়ে বলা হয়, পূর্ববর্তী সরকার বা তার এজেন্টরা নির্বিচারে বা বেআইনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। পূর্ববর্তী সরকার নিরাপত্তা কর্মীদের দ্বারা মোট হত্যাকাণ্ডের সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি বা মামলার তদন্তের জন্য স্বচ্ছ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন : ইসরাইলি হামলায় আরও ৭৩ ফিলিস্তিনি নিহত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এটি শুরু করে। পূর্ববর্তী সরকার যেসব জ্ঞাত ঘটনায় অভিযোগ এনেছিল, সেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা সাধারণত প্রশাসনিক শাস্তি পেতেন। বর্তমানে অভিযুক্তদের বিচার চলছে বলেও প্রতিবেদনে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়।

মার্কিন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অনেক উদাহরণ থাকলেও জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করেনি বিগত হাসিনা প্রশাসন। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্বর্তী সরকার আটক করেছে বলে উল্লেখ করা হয় এতে।