০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না ঋণখেলাপিরা: অর্থ উপদেষ্টা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 76

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ইপি পেনশন উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কোর্টের স্টে অর্ডার নিয়ে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর তো এই খেলাপি ঋণ নিয়ে পাঁচ বছর কাটিয়েই দিয়েছিলেন।

আগামী নির্বাচনে কালোটাকা রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কালোটাকার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় হচ্ছে উৎস আর প্রসেস। উৎসটা কিন্তু আগের চেয়ে মোটামুটি বন্ধ হয়েছে।

আরও পড়ুন : বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ধেয়ে আসছে মহাবিপদ! 

আগে তো ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, নিউজ পেপারের মালিক, ফ্লাটের মালিক সব একজনই ছিলেন। কিন্তু এখন তো এটা হচ্ছে না। মোটামুটি এখন একটু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স হচ্ছে।

ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সবসময় বলি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর। রাজনীতিবিদরা যদি উৎসাহ দেন যে টাকা-পয়সা দিয়ে নমিশনেশন দেবেন, ভোট দেবেন, তাহলে আমি অর্থ মন্ত্রণালয়ে থেকে তো কিছুই করতে পারব না।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না ঋণখেলাপিরা: অর্থ উপদেষ্টা

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে ইপি পেনশন উদ্বোধন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে কোর্টের স্টে অর্ডার নিয়ে। মহিউদ্দিন খান আলমগীর তো এই খেলাপি ঋণ নিয়ে পাঁচ বছর কাটিয়েই দিয়েছিলেন।

আগামী নির্বাচনে কালোটাকা রোধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কালোটাকার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় হচ্ছে উৎস আর প্রসেস। উৎসটা কিন্তু আগের চেয়ে মোটামুটি বন্ধ হয়েছে।

আরও পড়ুন : বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ধেয়ে আসছে মহাবিপদ! 

আগে তো ব্যাংকের মালিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিক, নিউজ পেপারের মালিক, ফ্লাটের মালিক সব একজনই ছিলেন। কিন্তু এখন তো এটা হচ্ছে না। মোটামুটি এখন একটু চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স হচ্ছে।

ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা সবসময় বলি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ওপর। রাজনীতিবিদরা যদি উৎসাহ দেন যে টাকা-পয়সা দিয়ে নমিশনেশন দেবেন, ভোট দেবেন, তাহলে আমি অর্থ মন্ত্রণালয়ে থেকে তো কিছুই করতে পারব না।