০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

যুবলীগ নেতা ‘গামছা মোস্তফা’কে  গণধোলাই দিয়ে  পুলিশে দিল জনতা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • 107

ছবি : সংগৃহীত

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা মোড়ল ওরফে গামছা মোস্তফাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা।

রোববার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের হরিনগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর রাতে হরিনগর বাজারের একটি চায়ের দোকানে আসেন মোস্তফা। তাকে দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ফেলে এবং চিহ্নিত করার পর গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ এসে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মোস্তফা বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, হয়রানি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন : স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বড় নিয়োগ

এ ছাড়া তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অসীম মৃধার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন।

শ্যামনগর থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রাত প্রায় ৯টার দিকে স্থানীয়রা মোস্তফাকে আটক করে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

যুবলীগ নেতা ‘গামছা মোস্তফা’কে  গণধোলাই দিয়ে  পুলিশে দিল জনতা

সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৪২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা মোড়ল ওরফে গামছা মোস্তফাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা।

রোববার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের হরিনগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর রাতে হরিনগর বাজারের একটি চায়ের দোকানে আসেন মোস্তফা। তাকে দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ফেলে এবং চিহ্নিত করার পর গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ এসে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মোস্তফা বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি, হয়রানি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন : স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বড় নিয়োগ

এ ছাড়া তিনি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অসীম মৃধার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন।

শ্যামনগর থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির বলেন, রাত প্রায় ৯টার দিকে স্থানীয়রা মোস্তফাকে আটক করে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।