বায়ুর মান বা এয়ার কোয়ালিটি হয়তো অনেকের দৈনন্দিন ভাবনায় আসে না, কিন্তু এ বিষয়ে অযত্ন শ্বাসযন্ত্রের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণের উৎস শুধু বিপজ্জনক শিল্পকারখানার নির্গমন নয়, আমাদের চারপাশের দৈনন্দিন জীবনেও দূষণ বিদ্যমান। চলন্ত গাড়ির ধোঁয়াও এর একটি বড় উদাহরণ।
সাউথ সেন্ট্রাল রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারের ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ডা. আলা ইউগে বলেন, ‘যদি আপনার অ্যাজমা বা সিওপিডি (COPD) থাকে এবং আপনি স্বল্পমেয়াদি দূষণের—যেমন গাড়ির ধোঁয়া—সংস্পর্শে আসেন, তবে সেসব ক্ষতিকর কণা শ্বাসনালিতে প্রবেশ করে ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। এতে অবস্থা খারাপ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।’
তবে খারাপ বায়ুমান কেবল দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসযন্ত্রের রোগীদের জন্য নয়, সবার জন্যই ক্ষতিকর।
আরও পড়ুন : জোঁকের তেল কি সত্যিই উপকারী?
ডা. ইউগে পরামর্শ দেন, ‘রাসায়নিক পদার্থের আশেপাশে থাকলে বা শহরে চলাচলের সময় গাড়ির ধোঁয়ার সংস্পর্শে এলে অবশ্যই মাস্ক বা রেসপিরেটর ব্যবহার করুন। বায়োমাস ধোঁয়াও ফুসফুসের ক্ষতি করতে পারে।’
তিনি আরও জানান, এয়ার কোয়ালিটি অ্যালার্টের প্রতি সবার নজর রাখা জরুরি—শুধু রোগীদের নয়, সুস্থ মানুষেরও।
যাদের শ্বাসযন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি রোগ রয়েছে, তাদের জন্য জরুরি ইনহেলার এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সবসময় কাছে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুর মান নিয়ে সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণই সুস্থ শ্বাসযন্ত্রের মূল চাবিকাঠি।
ঢাকা ডেস্ক 















