০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের বিশাল জয়

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • 124

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে দুর্দান্ত ছন্দে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। লাওসকে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে উড়িয়ে দিয়েছে ৮-০ গোলে। একদিকে তৃষ্ণার হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে শান্তি মারডির অলিম্পিক গোল—দুই মিলে মাঠে হয়ে উঠেছিল উৎসব।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইনজুরি সময়ে গোল করে গোলবন্যার সূচনা করেন তৃষ্ণা। এরপর ৫৩ ও ৮৩ মিনিটে আরও দুই গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এই ফরোয়ার্ড। বিশেষ করে শেষ গোলটি ছিল নজরকাড়া—সাগরিকার কাটানো বল ফাঁকা পোস্টে প্লেস করে নিখুঁত ফিনিশিং দেন তৃষ্ণা।

আরও পড়ুন : ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশী নারীরা

ম্যাচের সবচেয়ে চোখধাঁধানো মুহূর্ত আসে ৩২ মিনিটে। কর্নার থেকে শান্তি মারডির নেওয়া শটে কেউ স্পর্শ না করেই বল সরাসরি জালে ঢোকে—যা ফুটবল পরিভাষায় পরিচিত ‘অলিম্পিক গোল’ হিসেবে। এর কিছুক্ষণ পরেই শান্তির আরেকটি কর্নারে হেড করে গোল করেন নবিরুন খাতুন।

ফিল্ড প্লেতেও বাংলাদেশ ছিল সমান কার্যকর। সাগরিকার একক প্রচেষ্টায় করা গোল, শিখার হেড কিংবা মুনকি আক্তারের ইনজুরি সময়ের গোল—সবই ছিল নিখুঁত পরিকল্পনার ফসল।

দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান +১০। গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া—যাদের বিপক্ষে জয় কঠিন হলেও লক্ষ্য থাকবে রানার্সআপ হয়ে সেরা তিনের মধ্যে থাকা। তাহলেই মিলবে মূল পর্বের টিকিট।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের বিশাল জয়

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে দুর্দান্ত ছন্দে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। লাওসকে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে উড়িয়ে দিয়েছে ৮-০ গোলে। একদিকে তৃষ্ণার হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে শান্তি মারডির অলিম্পিক গোল—দুই মিলে মাঠে হয়ে উঠেছিল উৎসব।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইনজুরি সময়ে গোল করে গোলবন্যার সূচনা করেন তৃষ্ণা। এরপর ৫৩ ও ৮৩ মিনিটে আরও দুই গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন এই ফরোয়ার্ড। বিশেষ করে শেষ গোলটি ছিল নজরকাড়া—সাগরিকার কাটানো বল ফাঁকা পোস্টে প্লেস করে নিখুঁত ফিনিশিং দেন তৃষ্ণা।

আরও পড়ুন : ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশী নারীরা

ম্যাচের সবচেয়ে চোখধাঁধানো মুহূর্ত আসে ৩২ মিনিটে। কর্নার থেকে শান্তি মারডির নেওয়া শটে কেউ স্পর্শ না করেই বল সরাসরি জালে ঢোকে—যা ফুটবল পরিভাষায় পরিচিত ‘অলিম্পিক গোল’ হিসেবে। এর কিছুক্ষণ পরেই শান্তির আরেকটি কর্নারে হেড করে গোল করেন নবিরুন খাতুন।

ফিল্ড প্লেতেও বাংলাদেশ ছিল সমান কার্যকর। সাগরিকার একক প্রচেষ্টায় করা গোল, শিখার হেড কিংবা মুনকি আক্তারের ইনজুরি সময়ের গোল—সবই ছিল নিখুঁত পরিকল্পনার ফসল।

দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান +১০। গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া—যাদের বিপক্ষে জয় কঠিন হলেও লক্ষ্য থাকবে রানার্সআপ হয়ে সেরা তিনের মধ্যে থাকা। তাহলেই মিলবে মূল পর্বের টিকিট।