০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

পদ্মায় বিরল প্রজাতির কুমিরের দেখা, আতঙ্কে মৎস্যজীবীরা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • 80

পাবনার সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদীতে ভেসে উঠেছে বিরল প্রজাতির একটি মিঠা পানির কুমির। বিশাল আকারের কুমিরটি দেখে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও কৃষকরা নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছেন না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চর মানিকদীর মাদারতলা এলাকায় প্রথম কুমিরটিকে ভেসে থাকতে দেখা যায়। এরপর থেকেই নদীপাড়ের জনপদে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি।

চর ভবানীপুর গ্রামের মৎস্যজীবী দবির উদ্দিন শেখ বলেন, ‘মাঝেমধ্যে বিশাল কুমিরটিকে নদীতে ভেসে থাকতে দেখা যায়। ফলে কেউ মাছ ধরতে যেতে চাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন : কোন লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে

কৃষক আব্দুল আজিজ জানান, ‘পদ্মার চরে গরু-ছাগল চরানোর জন্য যাওয়া হয়। এখন ভয়ে কেউ চরেও যেতে পারছে না।’

তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নুর কাজমির জামান খান জানান, এখন পর্যন্ত কুমিরটির কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘সতর্ক থেকে নদী এলাকায় চলাচল করলেই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

এদিকে পাবনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী তরিকুর রহমান জানিয়েছেন, মিঠা পানির কুমির এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। পদ্মা নদীই এদের অন্যতম আশ্রয়স্থল।

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালে পানি বেড়ে গেলে এরা নদীর উপরিভাগে ভেসে ওঠে। তবে কুমির সাধারণত গভীর পানিতে থাকে এবং মানুষের সংস্পর্শে আসে না। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করাই যথেষ্ট।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পদ্মায় বিরল প্রজাতির কুমিরের দেখা, আতঙ্কে মৎস্যজীবীরা

সর্বশেষ আপডেট : ১২:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

পাবনার সুজানগর উপজেলার পদ্মা নদীতে ভেসে উঠেছে বিরল প্রজাতির একটি মিঠা পানির কুমির। বিশাল আকারের কুমিরটি দেখে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। গত কয়েক দিন ধরে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও কৃষকরা নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছেন না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চর মানিকদীর মাদারতলা এলাকায় প্রথম কুমিরটিকে ভেসে থাকতে দেখা যায়। এরপর থেকেই নদীপাড়ের জনপদে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি।

চর ভবানীপুর গ্রামের মৎস্যজীবী দবির উদ্দিন শেখ বলেন, ‘মাঝেমধ্যে বিশাল কুমিরটিকে নদীতে ভেসে থাকতে দেখা যায়। ফলে কেউ মাছ ধরতে যেতে চাচ্ছে না।’

আরও পড়ুন : কোন লক্ষণগুলো দেখলে বুঝবেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে

কৃষক আব্দুল আজিজ জানান, ‘পদ্মার চরে গরু-ছাগল চরানোর জন্য যাওয়া হয়। এখন ভয়ে কেউ চরেও যেতে পারছে না।’

তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নুর কাজমির জামান খান জানান, এখন পর্যন্ত কুমিরটির কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘সতর্ক থেকে নদী এলাকায় চলাচল করলেই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

এদিকে পাবনার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী তরিকুর রহমান জানিয়েছেন, মিঠা পানির কুমির এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। পদ্মা নদীই এদের অন্যতম আশ্রয়স্থল।

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালে পানি বেড়ে গেলে এরা নদীর উপরিভাগে ভেসে ওঠে। তবে কুমির সাধারণত গভীর পানিতে থাকে এবং মানুষের সংস্পর্শে আসে না। আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করাই যথেষ্ট।’