বাংলাদেশ নারী ফুটবল অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রতিভাবান স্ট্রাইকার পারভীন সুলতানা মহেশখালীতে উগ্রবাদী হামলার শিকার হয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ধর্মীয় গোঁড়ামি ও নারীবিদ্বেষী মনোভাব থেকে উগ্রপন্থীরা তার বাম পায়ের রগ কেটে দিয়েছে ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতরভাবে আহত করেছে। এই নৃশংস ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, পারভীনকে শুধুমাত্র নারী হয়ে ফুটবল খেলার ‘অপরাধে’ টার্গেট করা হয়। হামলাকারীরা তাকে ঘিরে ধরে বলে, “ফুটবল খেলা হারাম,” এরপর তারা তার বাম পায়ে ছুরিকাঘাত করে এবং রগ কেটে দেয়। তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আরও পড়ুন : কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জন নিহত
পারভীন সুলতানা দেশের ফুটবল অঙ্গনে একজন উদীয়মান তারকা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মাঠে তার গতি, গোল করার দক্ষতা এবং নেতৃত্বগুণে তিনি জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু এই হামলার ফলে তার পেশাগত ক্যারিয়ার চিরতরে থেমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় থানা বা জেলা পুলিশও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় জনরোষ ও উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।
বাংলাদেশে নারী ফুটবলারদের ওপর হামলা বা বাধা প্রদানের ঘটনা নতুন নয়। কিছুদিন আগে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর উচ্চবিদ্যালয় মাঠে নারী ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী মাঠে হামলা চালিয়ে তা বন্ধ করে দেয়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঢাকা ডেস্ক 









