০৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে কোরআনে হাফেজ নিহত

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • 80

ছবি :সংগৃহীত

টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকায় গত ১৫ জুলাই রাতে হাফেজ কামরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত ছুরিকাঘাত চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

হাফেজ মো. কামরুল ইসলাম জিহাদীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার ঘটনায় টঙ্গীজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আজ সোমবার (২২ জুলাই) সকালে তার হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক হত্যামামলার আসামি সাব্বির এবং তার স্ত্রী সুলতানা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তারা অবিলম্বে এই দম্পতির ফাঁসির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাফেজ কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় মসজিদে তারাবির ইমামতি করতেন এবং ‘মুসলিমীন পরিবার’ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এরশাদ নগরের বড় বাজার এলাকায় জড়ো হয়ে স্থানীয়রা মিছিলসহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। মানববন্ধন থেকে তারা ‘ফাঁসি চাই খুনি সাব্বিরের’, ‘সুলতানার ফাঁসি চাই’—এমন স্লোগানে সড়ক মুখর করে তোলেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, ‘প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, পারিবারিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীকে কেন্দ্র করে সাব্বির ও কামরুল ইসলামের মধ্যে বৈরিতা তৈরি হয়েছিল।

এই দ্বন্দ্ব থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। সাব্বির ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য আপাতত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ছাত্রলীগ নেতার ছুরিকাঘাতে কোরআনে হাফেজ নিহত

সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

টঙ্গীর দত্তপাড়া এলাকায় গত ১৫ জুলাই রাতে হাফেজ কামরুল ইসলামের ওপর অতর্কিত ছুরিকাঘাত চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

হাফেজ মো. কামরুল ইসলাম জিহাদীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার ঘটনায় টঙ্গীজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আজ সোমবার (২২ জুলাই) সকালে তার হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও একাধিক হত্যামামলার আসামি সাব্বির এবং তার স্ত্রী সুলতানা পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তারা অবিলম্বে এই দম্পতির ফাঁসির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, হাফেজ কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় মসজিদে তারাবির ইমামতি করতেন এবং ‘মুসলিমীন পরিবার’ নামে একটি সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এরশাদ নগরের বড় বাজার এলাকায় জড়ো হয়ে স্থানীয়রা মিছিলসহ মহাসড়কে অবস্থান নেন। মানববন্ধন থেকে তারা ‘ফাঁসি চাই খুনি সাব্বিরের’, ‘সুলতানার ফাঁসি চাই’—এমন স্লোগানে সড়ক মুখর করে তোলেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, ‘প্রাথমিক তদন্তে দেখা যাচ্ছে, পারিবারিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও স্ত্রীকে কেন্দ্র করে সাব্বির ও কামরুল ইসলামের মধ্যে বৈরিতা তৈরি হয়েছিল।

এই দ্বন্দ্ব থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। সাব্বির ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।’

ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য আপাতত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’