১২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নতুন মামলায় সালমান-আনিসুলসহ গ্রেপ্তার ৭

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • 68

ছবি : সংগৃহীত

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ ৭ জনকে পৃথক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার (২১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর ২ থানার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আসামিদের আদালতে হাজির করে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। 

অন্য আসামিরা হলেন, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি সাদেক খান ও ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন।

মোহাম্মদপুর থানার শাহরিয়ার হোসেন রোকন হত্যাচেষ্টা মামলায় আনিসুল, সালমান, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, আতিকুল ইসলাম ও সাদেক খানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। 

এছাড়া মুগদা থানাধীন আইনজীবী আব্দুল বাছেত শামীম হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ময়ূর ভিলার রাস্তায় বেলা ১১ টায় আন্দোলনে অংশ নেন শাহরিয়ার হোসেন রোকন।

এদিন আসামিদের ছোড়া গুলি তার বাম পায়ে লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা হয়।

আরও পড়ুন : রাজধানীতে মা-মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা : অতঃপর…

এছাড়া, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুল আছেত শামীম আদালতের কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে মুগদা থানাধীন বাবু ডাক্তারের গলিতে আসামির ছোড়া রাবার বুলেট তার হাতে, কপালে, বুকে, চোয়ালে, পেটে লাগে। পরে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পুনরায় শরীরে জটিলতা দেখা দিলে ২০ আগস্ট মুগদা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় গত ১ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে মুগদা থানায় মামলা করেন তিনি। মামলায় সায়েদুল হক সুমন ২৫ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নতুন মামলায় সালমান-আনিসুলসহ গ্রেপ্তার ৭

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ ৭ জনকে পৃথক হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার (২১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জি এম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর ২ থানার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আসামিদের আদালতে হাজির করে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। 

অন্য আসামিরা হলেন, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, ঢাকা উত্তরের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি সাদেক খান ও ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন।

মোহাম্মদপুর থানার শাহরিয়ার হোসেন রোকন হত্যাচেষ্টা মামলায় আনিসুল, সালমান, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, আতিকুল ইসলাম ও সাদেক খানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। 

এছাড়া মুগদা থানাধীন আইনজীবী আব্দুল বাছেত শামীম হত্যাচেষ্টা মামলায় ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন ময়ূর ভিলার রাস্তায় বেলা ১১ টায় আন্দোলনে অংশ নেন শাহরিয়ার হোসেন রোকন।

এদিন আসামিদের ছোড়া গুলি তার বাম পায়ে লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা হয়।

আরও পড়ুন : রাজধানীতে মা-মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা : অতঃপর…

এছাড়া, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৮ জুলাই ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী আব্দুল আছেত শামীম আদালতের কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে মুগদা থানাধীন বাবু ডাক্তারের গলিতে আসামির ছোড়া রাবার বুলেট তার হাতে, কপালে, বুকে, চোয়ালে, পেটে লাগে। পরে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পুনরায় শরীরে জটিলতা দেখা দিলে ২০ আগস্ট মুগদা মেডিকেলে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় গত ১ সেপ্টেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে মুগদা থানায় মামলা করেন তিনি। মামলায় সায়েদুল হক সুমন ২৫ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।