০১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সূত্রাপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: বোনের পর এবার দুই ভাইয়ের মৃত্যু

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • 74

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর সূত্রাপুর কাগজিটোলা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে সহোদর রোকন (১৪) ও তামিম (১৮) মারা গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন মারা যায় রোকন আর বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মারা যায় তামিম। এর আগে সোমবার রাতে মারা গেছে তাদের বোন আয়েশা (দেড় বছর)।

এ নিয়ে ঘটনাটিতে মারা গেল তিনজন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রোকনের শরীরের ৬০ শতাংশ আর তামিমের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

বর্তমানে তাদের বাবা রিপন ৬০ শতাংশ ও মা চাঁদনী ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়ে ভর্তি আছেন। তাদের শ্বাসনালীও দগ্ধ। তাদের অবস্থাও আশংকাজনক।

আরও পড়ুন : গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে ছাত্রলীগের আগুন

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সূত্রাপুর কাগজিটোলা এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন, ভ্যানচালক রিপন (৪০), তার স্ত্রী চাঁদনী (৩৫), ছেলে তামীম (১৮), রোকন (১৪) ও মেয়ে আয়শা (দেড় বছর)।

তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

সূত্রাপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: বোনের পর এবার দুই ভাইয়ের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট : ১১:৫৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর সূত্রাপুর কাগজিটোলা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে সহোদর রোকন (১৪) ও তামিম (১৮) মারা গেছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন মারা যায় রোকন আর বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মারা যায় তামিম। এর আগে সোমবার রাতে মারা গেছে তাদের বোন আয়েশা (দেড় বছর)।

এ নিয়ে ঘটনাটিতে মারা গেল তিনজন।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রোকনের শরীরের ৬০ শতাংশ আর তামিমের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

বর্তমানে তাদের বাবা রিপন ৬০ শতাংশ ও মা চাঁদনী ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়ে ভর্তি আছেন। তাদের শ্বাসনালীও দগ্ধ। তাদের অবস্থাও আশংকাজনক।

আরও পড়ুন : গোপালগঞ্জে পুলিশের গাড়িতে ছাত্রলীগের আগুন

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সূত্রাপুর কাগজিটোলা এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন, ভ্যানচালক রিপন (৪০), তার স্ত্রী চাঁদনী (৩৫), ছেলে তামীম (১৮), রোকন (১৪) ও মেয়ে আয়শা (দেড় বছর)।

তাদের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায়।