০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গোপালগঞ্জের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • 92

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের পর সেনাবাহিনীর টহল। ছবি : বিসিসি বাংলা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাত আটটা থেকে শুরু হয়েছে কারফিউ। চলবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।

স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরই অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে গোপালগঞ্জ শহর। ঘরে ফেরা কয়েকজন মানুষকে বিচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় দেখা গেলেও তাদের চোখেমুখেও ছিল আতঙ্ক।

শহরজুড়ে টহল দিচ্ছে র‍্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি উপস্থিতির কথাও জানিয়েছেন তারা।

পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে বাড়তি নজরদারিও করা হচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি’র পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল গোপালগঞ্জে।

 

আরও পড়ুন  : গোপালগঞ্জে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

সমাবেশ শেষে এনসিপি নেতাদের গাড়ি বহরে হামলার পরই শুরু হয় সংঘর্ষ। রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোপালগঞ্জ শহর। এরপরই কারফিউ জারি করে জেলা প্রশাসন।

এর আগে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা–সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ নিহত হন। এছাড়াও এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকালের সংঘর্ষে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (৩০), কোটালিপাড়ার হরিণাহাটি গ্রামের কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (১৯), শহরের শানাপাড়ার সোহেল রানা (৩৫) এবং সদর উপজেলার ভেড়ার বাজার এলাকার ইমন।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস জানান, তাদের মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ওই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অনেকে চিকিৎসা নিলেও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গোপালগঞ্জের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৪:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে কারফিউ জারি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বুধবার (১৬ জুলাই) রাত আটটা থেকে শুরু হয়েছে কারফিউ। চলবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।

স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পরই অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে গোপালগঞ্জ শহর। ঘরে ফেরা কয়েকজন মানুষকে বিচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় দেখা গেলেও তাদের চোখেমুখেও ছিল আতঙ্ক।

শহরজুড়ে টহল দিচ্ছে র‍্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি উপস্থিতির কথাও জানিয়েছেন তারা।

পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে বাড়তি নজরদারিও করা হচ্ছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি’র পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল গোপালগঞ্জে।

 

আরও পড়ুন  : গোপালগঞ্জে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪

সমাবেশ শেষে এনসিপি নেতাদের গাড়ি বহরে হামলার পরই শুরু হয় সংঘর্ষ। রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোপালগঞ্জ শহর। এরপরই কারফিউ জারি করে জেলা প্রশাসন।

এর আগে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা–সংঘর্ষের ঘটনায় ৪ নিহত হন। এছাড়াও এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকালের সংঘর্ষে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (৩০), কোটালিপাড়ার হরিণাহাটি গ্রামের কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (১৯), শহরের শানাপাড়ার সোহেল রানা (৩৫) এবং সদর উপজেলার ভেড়ার বাজার এলাকার ইমন।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস জানান, তাদের মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ওই সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অনেকে চিকিৎসা নিলেও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি