০২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ৫, বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • 68

রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল।

৯ জুলাই ২০২৫, বুধবার বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে পুরান ঢাকার ঐ হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে একদল ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত ও কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরদিন নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ময়নাতদন্তের জন্য সোহাগের মরদেহ পাঠানো হয় হাসপাতালের মর্গে।

এরপর থেকে তদন্তে গতি আনতে পুলিশ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শুরু করে। ১১ জুলাই, শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি—মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিন (২২)-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকালে রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন : ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান’

এছাড়া র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর আগে আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে ছোট মনির (২৫) নামে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

সবশেষে, শনিবার (১২ জুলাই) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেফতার করে মো. টিটন গাজী (৩২) নামের আরেক এজাহারভুক্ত আসামিকে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের লালবাগ বিভাগ সূত্র জানায়, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি চৌকস তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভাঙারি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত সোহাগ ছিলেন মিটফোর্ড এলাকায় বৈদ্যুতিক তারের ব্যবসার একটি সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে। তার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্যই একটি পক্ষ এই বর্বর হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান, পিপিএম জানান, “এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সব অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ৫, বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল।

৯ জুলাই ২০২৫, বুধবার বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে পুরান ঢাকার ঐ হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে একদল ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত ও কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরদিন নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ময়নাতদন্তের জন্য সোহাগের মরদেহ পাঠানো হয় হাসপাতালের মর্গে।

এরপর থেকে তদন্তে গতি আনতে পুলিশ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ শুরু করে। ১১ জুলাই, শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামি—মাহমুদুল হাসান মহিন (৪১) ও তারেক রহমান রবিন (২২)-কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকালে রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন : ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান’

এছাড়া র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) এর আগে আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে ছোট মনির (২৫) নামে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

সবশেষে, শনিবার (১২ জুলাই) রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গ্রেফতার করে মো. টিটন গাজী (৩২) নামের আরেক এজাহারভুক্ত আসামিকে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের লালবাগ বিভাগ সূত্র জানায়, সোহাগ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে একটি চৌকস তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভাঙারি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিহত সোহাগ ছিলেন মিটফোর্ড এলাকায় বৈদ্যুতিক তারের ব্যবসার একটি সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে। তার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্যই একটি পক্ষ এই বর্বর হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান, পিপিএম জানান, “এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সব অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”