ভোলার তজুমদ্দিনে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর সেই পাশবিক ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় দুই যুবকের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ এক মাস ভয়ে মুখ বন্ধ রাখলেও শেষ পর্যন্ত পরিবারের কাছে সব খুলে বলেন নির্যাতনের শিকার নারী। এরপরই থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
গত ১০ জুন ভুক্তভোগীর বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে নিকৃষ্ট ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় রোববার (৬ জুলাই) তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর ভাই।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্তরা হলেন—ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁচড়া গ্রামের গিয়াস (পিতা: কালাম ফরাজি) ও রাসেল (পিতা: আলম চৌধুরী)। দুজনই ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী।
আরও পড়ুন : প্রেমিকার বাড়িতে হাজির হয়ে গোপন ভিডিও দেখাল প্রেমিক, অতঃপর..
ভুক্তভোগী নারী জানান, ‘সেদিন রাত ১২টার দিকে টয়লেটে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হই। তখন আগে থেকেই লুকিয়ে থাকা গিয়াস আমাকে জোর করে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। রাসেল পাশে দাঁড়িয়ে সেই ঘটনার ভিডিও তোলে। এরপর থেকে তারা আমাকে নানা কুপ্রস্তাব দিতে থাকে।’
ঘটনার পর ওই দুই যুবক নিয়মিত ভুক্তভোগীকে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে এবং অনৈতিক সম্পর্কে না জড়ালে তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দিতে থাকে। এতে আতঙ্কে ছিলেন নির্যাতিতা নারী। কিন্তু অবশেষে তিনি সাহস করে পরিবারের কাছে সব বলেন।
ভুক্তভোগীর ভাই জানান, ‘আমার বোন এতদিন ভয়ে কিছু বলেনি। কিন্তু যখন বলল, তখনই থানায় গিয়ে মামলা করেছি। এদের উপযুক্ত বিচার চাই। গিয়াস ও রাসেল আমাদের আত্মীয় হলেও তাদের কোনও ছাড় নয়।’
তজুমদ্দিন থানার ওসি মো. মহব্বত খান বলেন, ‘ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে গিয়াস ও রাসেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।’
ঢাকা ডেস্ক 









