সৌদি আরবে ক্ষুধার তাড়নায় মালিকের অনুমতি ছাড়া একটি বার্গার খাওয়া নিয়ে মো. রুবেল নামের এক প্রবাসীকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বছরের ১৭ জুলাই মৃত্যু হয় তার।
ঘটনার এক বছর পর ট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পূর্ব ভূজপুর ইউনিয়নের তালুকদার পাড়ার মো. রুবেলের লাশ শনিবার দেশে আসে। বিমানমন্দর থেকে সেই লাশ নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথেই এবার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রুবেলের অপর দুই ভাই।
শনিবার বিকেলে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কালিকাপুর এলাকায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিওনের অতিরিক্ত ডিআইজি খাইরুল আলম।
নিহতরা হলেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির পূর্ব ভূজপুর গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে মো. বাবুল মিয়া ও জালাল আবেদীনের ছেলে ওসমান গনি।
জানা গেছে, পরিবারের অভাব দূর করতে ২০২৪ সালে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন মো. রুবেল। সেখানে ক্ষুধার তাড়নায় মালিকের অনুমতি ছাড়া একটি বার্গার খাওয়া নিয়ে শুরু হয় নির্মম নির্যাতন। গুরুতর আহত রুবেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান গত বছরের ১৭ জুলাই মদিনায়।
রুবেলের মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে বাড়ি ফিরছিলেন ভাই বাবুল ও মামাতো ভাই ওসমান। পথে চৌদ্দগ্রামে একটি লরি অ্যাম্বুল্যান্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সটি সামনে থাকা সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। ফলে দুমড়ে-মুচড়ে যায় অ্যাম্বুল্যান্সটি। ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান আরেকজন।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই পরিবারে মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই আরেক শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে।
ঢাকা ডেস্ক 









