ইরানের একাধিক পারমাণবিক স্থাপনায় সামরিক হামলা চালানোর পর বিশ্বজুড়ে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
স্থানীয় সময় রবিবার (২২ জুন) দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সতর্কতা জারি করা হয়। এতে বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্বজুড়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ভ্রমণব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটেছে এবং আকাশসীমা কখনো কখনো বন্ধ রাখা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও স্বার্থের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বা অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।’
‘এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সারা বিশ্বে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে।’
এ ছাড়া, ভ্রমণ পরিকল্পনার আগে পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণসংক্রান্ত পরামর্শ, সংশ্লিষ্ট দেশের তথ্য ও সাম্প্রতিক নিরাপত্তা সতর্কতাগুলো দেশটির নাগরিকদের মনোযোগ দিয়ে পড়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন : এবার ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিলেন খামেনি
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির এ হামলায় পরমাণু, সামরিক ও আবাসিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে ৪০০-এর বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হন। নিহতদের মধ্যে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ রয়েছেন।
ইরান ওই হামলার পরপরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শুরু করে। ২২ জুন পর্যন্ত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস III’ এর আওতায় ইরান ইসরায়েলে মোট ২০ দফায় পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রোববার ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এগুলো হলো ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহান।
হামলার পর ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, আমরা ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনা—ফোরদো, নাতানজ এবং ইসফাহানে আমাদের অত্যন্ত সফল হামলা সম্পন্ন করেছি। সব বিমান এখন ইরানের আকাশসীমার বাইরে রয়েছে।
ঢাকা ডেস্ক 









