০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কুরবানির পশু কেনার পর যে দোয়া পড়বেন

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • 131

ছবি: সংগৃহীত

কুরবানি ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ মহিলার ওপর কুরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই কুরবানি পালিত হয়েছে।

এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এর মাধ্যমে ‘শাআইরে ইসলামের’ বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

এছাড়া গরিব-দুঃখী ও পাড়া-প্রতিবেশীর আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়। আল্লাহ ও তার রাসুলের শর্তহীন আনুগত্য, ত্যাগ ও বিসর্জনের শিক্ষাও আছে কুরবানিতে।

নবীজিকে আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন- আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি আদায় করুন। (সুরা কাওসার:২)

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানি করা ওয়াজিব।

ঈদুল আজহার দিন ঈদের নামাজের পর আল্লাহ তায়ালার কাছে সব থেকে প্রিয় আমল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কুরবানি করা।

ঈদুল আজহায় সুষ্ঠুভাবে কুরবানির কাজ করার জন্য অনেক আগে থেকেই পশু কিনে রাখা হয়। যখন কেউ কুরবানির জন্য পশু কিনবেন তখন তিনি হাদিসের ওপর আমল করতে পারেন। এতে খুব সহজেই রাসুল (সা.) এর সুন্নতের ওপর আমল করা হবে।

কুরবানির পশু কেনার পর এ দোয়াটি পড়া উত্তম:

اللَّهُمَّ هٰذِهِ مِنْكَ وَلَكَ، تَقَبَّلْهَا مِنِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাজিহি মিনকা ওয়ালাকা, তাকাব্বালহা মিন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ! এই পশুটি আপনার পক্ষ থেকে এবং আপনারই জন্য। আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করে নিন।

হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) পশু জবাইয়ের সময় এই দোয়া পড়তেন (সহিহ মুসলিম: ১৯৬৬)

আরেকটি দোয়া-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা আলাইহ, ওয়া আউজু বিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা আলাইহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তোমার কাছে এর কল্যাণ এবং যে প্রকৃতির ওপর তুমি একে সৃষ্টি করেছ তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর তোমার কাছে এর অকল্যাণ এবং যে প্রকৃতির ওপর তুমি একে সৃষ্টি করেছ তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যখন উট ক্রয় করে, সে যেন তার কুঁজের ওপর হাত রেখে উল্লিখিত দোয়া পাঠ করে। (আবু দাউদ, হাদিস : ২১৬০)

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

কুরবানির পশু কেনার পর যে দোয়া পড়বেন

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

কুরবানি ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সামর্থ্যবান পুরুষ মহিলার ওপর কুরবানি ওয়াজিব। এটি ইসলামের মৌলিক ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত। আদম (আ.) থেকে শুরু করে সব নবীর যুগেই কুরবানি পালিত হয়েছে।

এটি ‘শাআইরে ইসলাম’ তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এর মাধ্যমে ‘শাআইরে ইসলামের’ বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

এছাড়া গরিব-দুঃখী ও পাড়া-প্রতিবেশীর আপ্যায়নের ব্যবস্থা হয়। আল্লাহ ও তার রাসুলের শর্তহীন আনুগত্য, ত্যাগ ও বিসর্জনের শিক্ষাও আছে কুরবানিতে।

নবীজিকে আল্লাহতায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন- আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ুন এবং কুরবানি আদায় করুন। (সুরা কাওসার:২)

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ যিলহজ্ব ফজর থেকে ১২ যিলহজ্ব সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার উপর কুরবানি করা ওয়াজিব।

ঈদুল আজহার দিন ঈদের নামাজের পর আল্লাহ তায়ালার কাছে সব থেকে প্রিয় আমল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কুরবানি করা।

ঈদুল আজহায় সুষ্ঠুভাবে কুরবানির কাজ করার জন্য অনেক আগে থেকেই পশু কিনে রাখা হয়। যখন কেউ কুরবানির জন্য পশু কিনবেন তখন তিনি হাদিসের ওপর আমল করতে পারেন। এতে খুব সহজেই রাসুল (সা.) এর সুন্নতের ওপর আমল করা হবে।

কুরবানির পশু কেনার পর এ দোয়াটি পড়া উত্তম:

اللَّهُمَّ هٰذِهِ مِنْكَ وَلَكَ، تَقَبَّلْهَا مِنِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা হাজিহি মিনকা ওয়ালাকা, তাকাব্বালহা মিন্নি।

অর্থ: হে আল্লাহ! এই পশুটি আপনার পক্ষ থেকে এবং আপনারই জন্য। আপনি এটি আমার পক্ষ থেকে কবুল করে নিন।

হাদিসে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) পশু জবাইয়ের সময় এই দোয়া পড়তেন (সহিহ মুসলিম: ১৯৬৬)

আরেকটি দোয়া-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা ওয়া খাইরা মা জাবালতাহা আলাইহ, ওয়া আউজু বিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা জাবালতাহা আলাইহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি তোমার কাছে এর কল্যাণ এবং যে প্রকৃতির ওপর তুমি একে সৃষ্টি করেছ তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর তোমার কাছে এর অকল্যাণ এবং যে প্রকৃতির ওপর তুমি একে সৃষ্টি করেছ তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমাদের কেউ যখন উট ক্রয় করে, সে যেন তার কুঁজের ওপর হাত রেখে উল্লিখিত দোয়া পাঠ করে। (আবু দাউদ, হাদিস : ২১৬০)