১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মোবাইল দেখে দেখে লিখছিলেন দাখিল পরীক্ষার্থী, অতঃপর…

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 65

দাখিল পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল দেখে দেখে লিখছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি : স্ক্রিনশট

বরগুনায় দাখিল পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল দেখে দেখে লিখছেন এক শিক্ষার্থী, এমন ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল (বুধবার) হাদিস পরীক্ষা চলাকালে বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহা. মামুন অর রশিদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

 

কী বলছে কর্তৃপক্ষ 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল হাদিস পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রের একটি হলের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়েই পরীক্ষা দিচ্ছিল।

এ সময় নিয়মবহির্ভূত মোবাইল নিয়ে হলে প্রবেশসহ মোবাইল দেখে পরীক্ষা দেয়ার ভিডিও ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে ধারণকৃত ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়।

কেন্দ্র সচিব মুহা. মামুন অর রশিদ বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাকে ছোট করতে একটি চক্র ফাঁকফোকরে এ কাজ করেছে।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, মোবাইল দেখে পরীক্ষা দেয়ার ভিডিওটি দেখেছি। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মোবাইল দেখে দেখে লিখছিলেন দাখিল পরীক্ষার্থী, অতঃপর…

সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

বরগুনায় দাখিল পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল দেখে দেখে লিখছেন এক শিক্ষার্থী, এমন ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল (বুধবার) হাদিস পরীক্ষা চলাকালে বরগুনা দারুল উলুম নেছারিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহা. মামুন অর রশিদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

 

কী বলছে কর্তৃপক্ষ 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল হাদিস পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রের একটি হলের পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন সঙ্গে নিয়েই পরীক্ষা দিচ্ছিল।

এ সময় নিয়মবহির্ভূত মোবাইল নিয়ে হলে প্রবেশসহ মোবাইল দেখে পরীক্ষা দেয়ার ভিডিও ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে ধারণকৃত ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়।

কেন্দ্র সচিব মুহা. মামুন অর রশিদ বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাকে ছোট করতে একটি চক্র ফাঁকফোকরে এ কাজ করেছে।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, মোবাইল দেখে পরীক্ষা দেয়ার ভিডিওটি দেখেছি। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।